নারীদের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে প্রথমবারের মতো হারাল আয়ারল্যান্ড। ব্যাটে-বলে অসাধারণ পারফরম্যান্সে আইরিশদের এই জয়ের নায়ক ওরলা প্রেন্ডারগাস্ট।
ত্রিদেশীয় সিরিজের এই ম্যাচে আইরিশ অধিনায়ক প্রেন্ডারগাস্ট আগে বল হাতে শিকার করেছেন ২টি উইকেট, এরপর রান তাড়ায় নেমে খেলেন অপরাজিত ৭১ রানের ঝড়ো ইনিংস। তার এই নৈপুণ্যে ডিএলএস পদ্ধতিতে মাত্র ১ রানে জয় পায় আয়ারল্যান্ড। যা তাদের ফাইনালে ওঠার দৌড়ে বেশ এগিয়ে দিয়েছে।
এদিন প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে। পাওয়ারপ্লেতেই অ্যাভা ক্যানিংয়ের তোপে দুই উইকেট হারায় তারা। শীর্ষ সারির ব্যাটাররা পাঁচ ওভারের মধ্যেই ফিরে যাওয়ায় দলটি বড় চাপে পড়ে যায়। এরপর স্টেফানি টেইলর হালকা ইনজুরিতে মাঠ ছাড়লে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। ইনিংসের অর্ধেক শেষ না হতে স্কোর দাঁড়ায় ৫৩/৪ (কার্যত ৫ উইকেট হারানো)। বড় সংগ্রহ দাঁড় করানোর সম্ভাবনার ইতি তখনই।
তবে জ্যানিলিয়া গ্লাসগো ও শেমেইন ক্যাম্পবেলের গুরুত্বপূর্ণ জুটিতে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তারা কয়েকটি বাউন্ডারি মেরে ইনিংসে গতি আনার চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষদিকে ক্যাম্পবেল আউট হয়ে গেলে আবারও ধস নামে। প্রেন্ডারগাস্ট ডেথ ওভারে দুটি উইকেট নেন। এরপর লোয়ার অর্ডারের কিছু বাউন্ডারিতে দলটি কোনোমতে ১৪০ রান সংগ্রহ করে।
১৪১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় আয়ারল্যান্ড। শানিশা হেক্টর প্রথম চার বলের মধ্যেই দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে দেন। তখন ক্রিজে আসেন প্রেন্ডারগাস্ট। নিজের ২৪তম জন্মদিনে তিনি ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন এবং রেবেকা স্টোকেলকে সঙ্গে নিয়ে দলকে টেনে তোলেন।
কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজ আবারও ম্যাচে ফিরে আসে দ্রুত তিনটি উইকেট তুলে নিয়ে। ফলে ৬৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে আইরিশরা চাপে পড়ে যায়। এরপরও প্রেন্ডারগাস্ট আক্রমণ চালিয়ে যান। ১৪ ওভারে আয়ারল্যান্ডের সংগ্রহ ছিল ৯৫/৫, যেখানে তার একার সংগ্রহই ছিল ৭১ রান।
শেষ মুহূর্তে নাটকীয়তা বাড়ে। তখন বৃষ্টি এসে হানা দেয়, আর ডিএলএস হিসাব অনুযায়ী আয়ারল্যান্ড তিন রানে পিছিয়ে ছিল। ম্যাচের শেষ দিকে আম্পায়াররা পরিস্থিতি দেখে আরও একটি বল করার সিদ্ধান্ত নেন। সেই বলেই লুইস লিটলের ব্যাটের কানায় লেগে ৪ হয় এরপর বৃষ্টি আরও বেড়ে গেলে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। ম্যাচ আর শুরু করা সম্ভব না হওয়ায় আয়ারল্যান্ডকে জয়ী ঘোষণা করা হয়।
ত্রিদেশীয় সিরিজের এই ম্যাচে আইরিশ অধিনায়ক প্রেন্ডারগাস্ট আগে বল হাতে শিকার করেছেন ২টি উইকেট, এরপর রান তাড়ায় নেমে খেলেন অপরাজিত ৭১ রানের ঝড়ো ইনিংস। তার এই নৈপুণ্যে ডিএলএস পদ্ধতিতে মাত্র ১ রানে জয় পায় আয়ারল্যান্ড। যা তাদের ফাইনালে ওঠার দৌড়ে বেশ এগিয়ে দিয়েছে।
এদিন প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে। পাওয়ারপ্লেতেই অ্যাভা ক্যানিংয়ের তোপে দুই উইকেট হারায় তারা। শীর্ষ সারির ব্যাটাররা পাঁচ ওভারের মধ্যেই ফিরে যাওয়ায় দলটি বড় চাপে পড়ে যায়। এরপর স্টেফানি টেইলর হালকা ইনজুরিতে মাঠ ছাড়লে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। ইনিংসের অর্ধেক শেষ না হতে স্কোর দাঁড়ায় ৫৩/৪ (কার্যত ৫ উইকেট হারানো)। বড় সংগ্রহ দাঁড় করানোর সম্ভাবনার ইতি তখনই।
তবে জ্যানিলিয়া গ্লাসগো ও শেমেইন ক্যাম্পবেলের গুরুত্বপূর্ণ জুটিতে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তারা কয়েকটি বাউন্ডারি মেরে ইনিংসে গতি আনার চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষদিকে ক্যাম্পবেল আউট হয়ে গেলে আবারও ধস নামে। প্রেন্ডারগাস্ট ডেথ ওভারে দুটি উইকেট নেন। এরপর লোয়ার অর্ডারের কিছু বাউন্ডারিতে দলটি কোনোমতে ১৪০ রান সংগ্রহ করে।
১৪১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় আয়ারল্যান্ড। শানিশা হেক্টর প্রথম চার বলের মধ্যেই দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে দেন। তখন ক্রিজে আসেন প্রেন্ডারগাস্ট। নিজের ২৪তম জন্মদিনে তিনি ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন এবং রেবেকা স্টোকেলকে সঙ্গে নিয়ে দলকে টেনে তোলেন।
কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজ আবারও ম্যাচে ফিরে আসে দ্রুত তিনটি উইকেট তুলে নিয়ে। ফলে ৬৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে আইরিশরা চাপে পড়ে যায়। এরপরও প্রেন্ডারগাস্ট আক্রমণ চালিয়ে যান। ১৪ ওভারে আয়ারল্যান্ডের সংগ্রহ ছিল ৯৫/৫, যেখানে তার একার সংগ্রহই ছিল ৭১ রান।
শেষ মুহূর্তে নাটকীয়তা বাড়ে। তখন বৃষ্টি এসে হানা দেয়, আর ডিএলএস হিসাব অনুযায়ী আয়ারল্যান্ড তিন রানে পিছিয়ে ছিল। ম্যাচের শেষ দিকে আম্পায়াররা পরিস্থিতি দেখে আরও একটি বল করার সিদ্ধান্ত নেন। সেই বলেই লুইস লিটলের ব্যাটের কানায় লেগে ৪ হয় এরপর বৃষ্টি আরও বেড়ে গেলে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। ম্যাচ আর শুরু করা সম্ভব না হওয়ায় আয়ারল্যান্ডকে জয়ী ঘোষণা করা হয়।
ক্রীড়া ডেস্ক